রক্তে নদী বয়ে আসবে বি জ য়ে র গান
গত কিছুদিন পূর্বে আমাদের দেশে মদের লাইসেন্স দিয়ে দিছিলো রাষ্ট্রিয়ভাবে। কিছুদিন পর হয়ে যাবে কাদিয়ানীদের নিকৃষ্ট সম্মেলন। অপরদিকে দিকে অনেকদিন যাবত হয়ে আসতেছে গ্রন্থমেলায় ইসলামি পুস্তকের জন্য স্টল করা নিষিদ্ধতা।
একে একে ৯০% মুসলিম দেশে সবই হচ্ছে ইসলাম বিরুধী কাজ। ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইসলামিক পূণ্যকর্ম। কোনো ভাবেই গতি থামতেছেনা তাদের অপকর্মের । অগ্রসর হচ্ছে দিন দিন তাদের প্রোপাগান্ডা কর্মকান্ড। স্থীর হচ্ছে সকল ইসলামিক কাজ। নেতৃত্ব শূণ্য হচ্ছে সকল সেক্টরে। চলছে না কোনো ইসলামিক কাজের উন্নতি। উন্নতি বেড়েই চলছে নাস্তিক্যবাদের অপকর্ম। বাঁধা হয়ে আছে সকল পূণ্য কাজের পথচলা। অনর্গল চলছে সেকুলারদের মন্দকর্ম। কে থামাবে তাদের এ কু পথ চলা!
মুক্তির পথে হাটছে সেকুলারেরা। বন্দীর পথে হাটছে সকল ইসলামপ্রেমী যুবক ভাইয়েরা। বন্দীশলায় নিমজ্জিত আলেমরা। ফেসবুক বন্দী সকল ইসলামিক লেখকরা।লেখলদের কলম বন্দী,বক্তাদের যবান বন্দী।
আজ উন্মুক্ত ময়দান সেকুলার আর নাস্তিকদের। বুকভরা চেতনা তাদের,নেই আমাদের। জুয়ারে ভাসছে বিধর্মিদের কর্মগুলো,ভাটা হয়ে আছে সকল ইসলামিক কাজগুলোর। বাকস্বাধীনতা তাদের,নেই আমাদের। তাই তো বলি, আজ আসছে না সেকুলারদের কোনো কাজের বাঁধা।
কারামুক্তি আলেগণের কোনো মাথাচাড়া নেই এসব বিষয়ে। ফিকির নেই কোনো ভাবে।নেই কোনো সরকারি লোকদের সাথে এসব বিষয়ে আলাপ আলোচনা।
যারা করার ছিলো তারা একে একে আল্লাহর প্রিয় হয়ে গেছে। তাদের মৃত্যুতে ইসলাম কিছু সময় নিভু নিভু ভাব। একদিকে নেতৃত্ব ব্যক্তিদের মৃত্যু, অপরদিকে উলামায়ে হক্কনিয়তের বন্দী। নেতৃত্বস্থানীয় ব্যাক্তি না থাকায় আজ রাজপথ তাঁদের।
সবাই আছে সবাইর ধান্দা নিয়ে। কেউ কিছুই করতে পারবে না! কারণ যাদের কথার ভ্যালু আছে তারা ভিতরে বন্দী। উন্মুক্ত আছে চরমোনাই। কারামুক্তি তারা। বিশাল দল নিয়ে নিরাপদে রাজনীতির পথে হাটছে তারা।
এসব বিষয় নিয়ে কোনো কিছুই করলো না তারা? বায়তুল মুকাররমে দুই মিনিটের একটি বক্তব্য আর পাঁচমিনিটের একটা মিছিল দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে গেলো তাদের! কারাবন্দীরা কি তাই করতেন! কখনো না।
যারা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন তারাও কি এসব অপকর্ম আর ইসলামের অবমাননা নিয়ে চুপ থাকতো! কখনো না। দুই মিনিটের বক্তব্যে দায়িত্ব দিয়ে শেষ করে তাদের মিছিল মিটিং। এটি তাদের পুরোনো অভ্যাস।
এর থেকেও বেশি কিছু করলে তাদের রাজনীতির আলাপ আলোচনা বন্ধ হয়ে যাবে। এক কথায়, নিরেট ইসলাম ইস্যুতে জামাতের ভূমিকা বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ।
আ ফ গা নে মারছে তো ইরাকে জেগে উঠছে কঠিন ভাবে। ফিলিস্তিনে মারছে তো কাশ্মীরে জেগে উঠছে। আরাকানে মারছে তো সোমালিয়ায় জেগে উঠছে।
সিরিয়ায় মারছে তো মালিতে জেগে উঠছে। কিন্তু আমাদের দেশে উলামারা বন্দী আর মৃত্যুর সম্মুখীন হচ্ছে আর সেকুলার, নাস্তিকরা জেগে উঠতেছে।
পাশাপাশি হেফজত নিঃশেষিত হয়ে গেছে বলে একদল উলামায়ে কেরামও শ্লোগান দিয়ে যাচ্ছে আর আনন্দে উদ্বেলিত হচ্ছে।
হতাশার জাতি মুমিন নয়! ঈমানদাররা কখনো পিছু হটে না! ঈমানদাররা জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত
লড়াই করে যায়। কারণ তারা জানে সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। রক্তে নদী বয়ে আসবে মুমিনদের বি জ য়
অভাবের গল্প -১ নেকবর খান
লেখক 👇
✍️ Ayat Ullah
