ভোলার ১৪ গ্রাম উদযাপন করছে ঈদ, হয়েছে পশু কোরবানিও

Posted on

 

সারাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান আগামীকাল রোববার (১০ জুন) ঈদুল আযহা উদযাপন করলেও ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় তিন হাজার পরিবার একদিন আগে আজ ঈদ উদযাপন করেছে। শনিবার সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য একত্রিত হন এমন মুসুল্লিরা।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে সুরেশ্বর পীরের অনুসারী খলিফা মজনুর বাড়ির আঙিনায় সকাল ৮ টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক মুসুল্লি অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশবাসীর মঙ্গলকামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এর পরপরই করা হয় পশু কোরবানি। 

পূর্বপুরুষ থেকে এখানকার বাসিন্দারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা ও কোরবানির ঈদ উদযাপন করে আসছেন।একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।নুরিয়া উপজেলা দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়া জানান, ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম,

 বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম, তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম, লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর,

 দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্ৰামসহ জেলার ৫ উপজেলার ১৪ গ্রামে শরিয়তপুরের সুরেশ্বর পীরের মুরিদ, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের অনুসারী প্রায় ৩ হাজার পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করে আসছেন।