অভিনেত্রী পাওলি দামের বাবার বাড়ি ফরিদপুর, মামা বাড়ি যশোরে

Posted on

 পাওলি দামের আদি বাড়ি বাংলাদেশে। তার শিকড়ের টান আজও রয়েছে সেখানে। অভিনেত্রীর বাবার বাড়ি ফরিদপুর আর মায়ের বাড়ি যশোরে। সে কারণে ‘মাটি’ নামে পূর্ণদৈর্ঘ্য একটি চলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন।

 কলকাতায় ‘মাটি’ চলচ্চিত্র নিয়ে এক অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী পাওলি বললেন, দাদুর কাছে এতবার আমাদের বাংলাদেশের বাড়ির কথা শুনেছি। যখন ‘মাটি’র স্ক্রিপ্ট পড়ছিলাম,তখন সেই গল্পের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছিলাম। চোখে ভাসছিল,

 দাদুর বলা সেই গল্প গুলো। তাই ‘মাটি’ ছবি করতেও রাজি হয়েছিলাম।প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞার কথাও জানালেন পাওলি দাম। বলেন, ‘মনের মানুষ’ এর শুটিং করতে গিয়েছিলাম।

 সেবারই আমার বাংলাদেশে প্রথম যাওয়া। সেটা ছিল, ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি।সঙ্গে ছিলেন আমার মা। কারণ মা ভীষণভাবে বাংলাদেশে যেখানে আমাদের বাড়ি ছিল, সেই জায়গাটা; ভিটে-মাটিটা দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেবার একটি দুর্ঘটনার কারণে আমাদের আর ফরিদপুর-যশোর কোথাও যাওয়া হয়নি।

পাওলির ভাষায়, নিজের বাড়িটা দেখা, নিজের মাটি-কে দেখা; সেই যে একটা টান- যারা পূর্ববঙ্গ থেকে নানা কারণে পশ্চিমবঙ্গে বসত গড়েছেন; তাদের প্রত্যেকের মধ্যে সেই বীজটা এখনো রয়েছে। মাটি চলচ্চিত্রে সেই আবেগ পাওয়া যাবে।


লীনা গঙ্গোধ্যায়ের নির্দেশনায় নতুন চলচ্চিত্র ’মাটি’ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে বাংলাদেশে পৈত্রিক ভিটে-মাটির প্রসঙ্গ তুলে এভাবেই আবেগ-সিক্ত হয়ে পড়েন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম।

কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এদিনের অনুষ্ঠানে ছবির অভিনেতা আদিল হাসান, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়সহ অন্যান্য কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব মোফাকখারুল ইকবাল। খুব শিগগিরই এই ছবিটি মুক্তি পাবে। তবে কবে সেই তারিখ জানাতে পারেননি ছবির প্রযোজনা সংস্থা মোমেন্স মুভিজ। বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলায় ছবির

৮৫ শতাংশ চিত্রায়িত হয়েছে। বাকি অংশের কাজ হয়েছে কলকাতায়। এখন পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে।